1. dailydeshbidesh@gmail.com : admin :
  2. deshbiseh@gmail.com : Adbul Wahid : Adbul Wahid
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জগন্নাথপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল কম দামে গোপনে বিক্রি করায় জনতা কর্তৃক আটক।। জগনাথপুরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং জগন্নাথপুরে পেক আইডি দিয়ে সংক্রান্ত পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচারে এলাকাবাসীর নিন্দা , থানায় জিডি দায়ের ।। জগন্নাথপুরের হবিবপুরে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গ্রামের মান ক্ষুন্ন করায় প্রতিবাদ সভা।। যুক্তরাজ্য প্রবাসী কে মোবাইল ফোনে হুমকি দিল জার্মান প্রবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি, এলাকাবাসীর নিন্দা।। জগন্নাথপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার- ৫ জগন্নাথপুরে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর তীব্র নিন্দার ঝড় # জগনাথপুরে মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন

জগন্নাথপুরে লন্ডন পাঠানোর কথা বলে ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় প্রতারনা মামলা দায়ের ।।

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ মে, ২০২৩
  • ৮৯৫

মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ,

জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জ থেকে :-

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে স্পাউস ভিসায় লন্ডন পাঠানোর কথা বলে প্রতারনার মাধ্যমে ১৫লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। গত ১০ মে ভূক্তভোগী জগন্নাথপুর পৌর শহরের বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকার সাজিদ আলীর পুত্র নানু মিয়া বাদী হয়ে পৌর শহরের কেশবপুর গ্রামের মৃত আরিফ উল্ল্যার স্ত্রী ফেরদৌসি বেগমকে প্রধান আসামী করে তিন জনের নাম উল্লেখ করে আমল গ্রহনকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৮৭/২০২৩ইং। মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলে আরিফ উল্ল্যার পুত্র আকমল হোসেন ও মেয়ে শাহনাজ পারভীন লিসা।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, মামলার আসামী আকমল হোসেনের সাথে আমার ও আমার ভাই চুনু মিয়ার সু-সম্পর্ক ছিল। পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে আকমল ডুবাই থেকে মোবাইলে আমাকে তার বোন শাহনাজ পারভীন লিসা শিক্ষিত হওয়ায় আইএলটিএস করিয়া স্পাউস ভিসায় লন্ডন পাঠানো যাবে বলে, সাথে স্বামী হিসেবে আমার ভাই চুনু মিয়াকে লন্ডন নেয়া যাবে। এ জন্য আকমল হোসেনকে ২৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে। আমি ও আমার ভাই চুনু মিয়া রাজি হলে ২০২২সালের ২ ফেব্রæয়ারী শাহনাজ পারভীন লিসা ও আমার ভাই চুনু মিয়ার মধ্যে একটি অঙ্গিকার নামা হয়। অঙ্গিকারনামা অনুযায়ী বিবাহ রেজিস্ট্রি হয়। আকমল হোসেন দেশে না থাকায় তার মা ফেরদৌসী বেগম বিয়ের সকল আয়োজন করেন। বিয়ের পরের দিন সকালে আকমল হোসেন আমাকে মোবাইল ফোনে জানায়, তার মা ফেরদৌসী বেগম আমাদের বাড়িতে আসলে তাকে ৫ লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য। আমি রাজি হলে আকমল হোসেনের মা ফেরদৌসী বেগম আমার ভাইয়ের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন লিসার আইএলটিএস সহ লন্ডনের ভিসা প্রসেসিং এর জন্য ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করি। এর ২০/২৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আকমল হোসেন তার মাকে ৪ লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য মোবাইল ফোনে আমাকে জানায়। আমি ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আকমল হোসেনের মা ফেরদৌসী বেগমকে ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করি। আকমল হোসেন গত বছরের এপ্রিল মাসে দেশে আসার পর আমাদের বাড়িতে এসে জানান শাহনাজ পারভীন লিসার লন্ডনের প্রসেসিং এর কাজের অগ্রগতি হয়েছে এবং ৫ লক্ষ টাকা দিতে বলেন। তার কথামত আমি ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করি। আমার ভাই চুনু মিয়ার সাথে সংসার করা অবস্থায় শাহনাজ পারভীন লিসা আইএলটিএস সেন্টারের ফিস সহ ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আমার নিকট থেকে ১লক্ষ টাকা গ্রহন করেন। এভাবে আসামীগণ বিভিন্ন সময় আমার ভাই চুনু মিয়াকে লন্ডন পাঠানোর জন্য ১৫ লক্ষ টাকা গ্রহন করেন। শাহনাজ পারভীন লিসা ও আমার ভাই চুনু মিয়া সম্পাদন করা অঙ্গিকার নামার শর্ত মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শাহনাজ পারভীন লিসা আইএলটিএস সহ যাবতীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ন না হওয়ায় এবং লন্ডনের ভিসা প্রসেসিং করতে না পারায় আমি ও আমার ভাই চুনু মিয়া আমাদের দেওয়া ১৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে ফেরদৌসী বেগম ও আকমল হোসেনকে চাপ দিলে আকমল হোসেন মোবাইল ফোনে আমাদেরকে একটি ঠিকানা দিয়ে কন্ট্রাক্ট ম্যারিজের জন্য যোগাযোগ করতে বলে। আমরা আকমল হোসেনের কথামত তার মা ফেরদৌসী বেগম ও বোন শাহনাজ পারভীন লিসার পরামর্শ মোতাবেক লন্ডন পৌছে ডিভোর্স দেয়া শর্তে কন্ট্রাক্ট ম্যারিজের মাধ্যমে চুনু মিয়াকে লন্ডনে পাঠাই। এ জন্য আমি আরো ২০লক্ষ টাকা খরচ করি। সেখানে গিয়ে চুনু মিয়া শর্ত মোতাবেক কথিত লন্ডনের ঐ স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে শাহনাজ পারভীন লিসার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে স্ত্রী ও সন্তানের ভরন পোষন পাঠায়। আমি গত কয়েক মাস আকমল হোসেন ও তার মা ফেরদৌসী বেগমের নিকট টাকা ফেরত দেয়ার জন্য বললে আত্মীয়তার সুবাদে তারা সময় নিতে থাকেন। এক পর্যায়ে চলতি বছরের পহেলা মে টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমি কোন কোন স্বাক্ষীকে সাথে নিয়ে আকমল হোসেনের বাড়িতে গেলে মামলার আসামী তার মা ও বোন আমিও স্বাক্ষীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে হত্যার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। মামলার বাদি নানু মিয়া টাকা উদ্ধারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে চেষ্ঠা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আদালতের মাধ্যমে আইনের আশ্রয় গ্রহন করেন বলে জানায়।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 দৈনিক দেশ বিদেশ
Design and developed By: Syl Service BD