1. dailydeshbidesh@gmail.com : admin :
  2. deshbiseh@gmail.com : Adbul Wahid : Adbul Wahid
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জগন্নাথপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল কম দামে গোপনে বিক্রি করায় জনতা কর্তৃক আটক।। জগনাথপুরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং জগন্নাথপুরে পেক আইডি দিয়ে সংক্রান্ত পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচারে এলাকাবাসীর নিন্দা , থানায় জিডি দায়ের ।। জগন্নাথপুরের হবিবপুরে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গ্রামের মান ক্ষুন্ন করায় প্রতিবাদ সভা।। যুক্তরাজ্য প্রবাসী কে মোবাইল ফোনে হুমকি দিল জার্মান প্রবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি, এলাকাবাসীর নিন্দা।। জগন্নাথপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার- ৫ জগন্নাথপুরে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর তীব্র নিন্দার ঝড় # জগনাথপুরে মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন

জগন্নথপুরে বহুল আলোচিত জ্যোৎস্না হত্যা মামলার তিন আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে।

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৪২০

মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্না(৩৫) কে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তিন আসামির আটদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুর রহিম তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জগন্নাথপুরের অভি মেডিকেল হল ফার্মেসির মালিক জিতেশ চন্দ্র গোপ, দোকানি অনজিৎ গোপ ও অরূপ ফার্মেসির মালিক অসিত গোপ।

এর আগে তিন আসামিকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডির) পরিদর্শক লিটন দেওয়ান। রিমান্ড শুনানি শেষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রত্যেক আসামির আটদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশের সুনামগঞ্জ আদালত পরিদর্শক মো. বদরুল আলম তালুকদার।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শাহনাজ পারভীন ২০১৩ সাল থেকে পৌর শহরের নিজ মালিকানাধীন বাসায় দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। তার স্বামী ছরকু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে চাকরি করেন। পরিবারের সব সদস্যের ঔষদপত্র ‘অভি মেডিকেল হল’ নামের ফার্মেসি থেকে কেনার সুবাদে জিতেশের সঙ্গে শাহনাজের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

শাহনাজ কিছুদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ সমস্যা সমাধানে পরামর্শের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ফার্মেসিতে গেলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা কক্ষে বসিয়ে রাখে জিতেশ। রোগী ও ক্রেতাদের ভিড় কমলে জ্যোৎস্না সমস্যা সমাধানের কথা জানিয়ে সময়ক্ষেপণ করে সে।

পরে জিতেশ চিকিৎসার কথা বলে জ্যোৎস্নাকে ঘুমের ঔষধ খাওয়ালে অচেতন হয়ে পড়েন । তাকে ফার্মেসির ভেতর রেখেই জিতেশ বাইরে তালা দিয়ে চলে যায়। আশপাশের সব দোকান বন্ধ হলে গভীর রাতে ফার্মেসি খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন জিতেশ, তার বন্ধু আনন্দ ভ্যারাইটি স্টোর এর মালিক অনজিৎ গোপ ও পাশের অরূপ মেডিকেল হল মালিক অসিত গোপ।

অ্যানার্জি ড্রিংকস পান করে তারা পারভীনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। জ্ঞান ফিরলে ধর্ষণের বিষয়টি শাহনাজ পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে তারা। সে অনুযায়ী শাহনাজকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করা হয়।

১৭ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টের ব্যারিস্টার মির্জা আব্দুল মতিন মার্কেটের তালাবদ্ধ অভি মেডিকেল হল থেকে শাহনাজের ৬ খণ্ড মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই নিহতের ভাই হেলালউদ্দিন বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ও সুনামগঞ্জে অভিযান চালিয়ে শাহনাজ হত্যার মূল তিন আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।পরে তাদের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 দৈনিক দেশ বিদেশ
Design and developed By: Syl Service BD