1. dailydeshbidesh@gmail.com : admin :
  2. deshbiseh@gmail.com : Adbul Wahid : Adbul Wahid
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জগন্নাথপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল কম দামে গোপনে বিক্রি করায় জনতা কর্তৃক আটক।। জগনাথপুরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং জগন্নাথপুরে পেক আইডি দিয়ে সংক্রান্ত পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচারে এলাকাবাসীর নিন্দা , থানায় জিডি দায়ের ।। জগন্নাথপুরের হবিবপুরে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গ্রামের মান ক্ষুন্ন করায় প্রতিবাদ সভা।। যুক্তরাজ্য প্রবাসী কে মোবাইল ফোনে হুমকি দিল জার্মান প্রবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি, এলাকাবাসীর নিন্দা।। জগন্নাথপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার- ৫ জগন্নাথপুরে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর তীব্র নিন্দার ঝড় # জগনাথপুরে মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন

মিনিকেট, নাজিরশাইল ধানের অস্তিত্ব নেই, তবু বাংলাদেশের বাজার সয়লাব যেসব চালে।

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯৩

সুরুজ্জামান শিমুল,সুনামগন্জ প্রতিনিধি।

বাংলাদেশের বাজারগুলো সয়লাব হয়ে আছে মিনিকেট, নাজিরশাইল কিংবা মোটা চালে কিন্তু বাস্তবতা হলো এসব নামের কোন ধানের আবাদ যেমন দেশের কোথাও হয় না তেমনি এগুলো কেউ আমদানিও করে না।
বরং কৃষি বিজ্ঞানীরা বলছেন দেশের ধানের মাঠ আর বাজার সয়লাব থাকে ব্রি ধানে, কিন্তু বাজারে ব্রি চাল নামে কোন চালের অস্তিত্বই নেই।
আবার দেশে এখন বিপুল পরিমাণ হাইব্রিড ধান উৎপাদিত হলেও বাজারে হাইব্রিড ধানের চাল বা হাইব্রিড চাল বলে কিছু পাওয়া যায় না।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের ফলিত গবেষণা বিভাগের প্রধান ড. মোঃ হুমায়ুন কবীর বলছেন, ইন্সটিটিউটের উদ্ভাবিত ব্রি ২৮ ধানকেই মিলগুলো নিজেদের ইচ্ছে মতো কেটে, মিক্স ও ওভারপলিশ করে নানা নামে বাজারে আনছে।
“আমাদের এতো হাইব্রিড ধান উৎপাদন হয় অথচ সেগুলো তো আমরা বাজারে দেখি না। আবার বাজারে যেগুলো ভুরি ভুরি দেখছি সেগুলো তো মাঠে হচ্ছে না,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
অর্থাৎ বাংলাদেশে এখন যে বিপুল পরিমাণ হাইব্রিড ধান উৎপাদন হচ্ছে সেগুলোই রাইস মিলগুলোতে নিয়ে মেশিনে কেটে ছেঁটে নানা আকার দিয়ে মিনিকেটসহ নানা নামে বাজারে দেয়া হচ্ছে।
এর ফলে চালগুলো ব্রান্ডিং হচ্ছে এক নামে অথচ এর ধানগুলোর নামই মানুষ জানতে পারছে না।
আর এ ক্ষেত্রে যে ধানটি বেশি ব্যবহৃত হয়ে সেটি হলো ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রিমিয়াম কোয়ালিটি ধান- ব্রি ২৮।
ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রউফ সরকার বলছেন প্রডাকশন ও ব্রান্ডিং দুটি আলাদা হয়ে গেছে কোন কোন ধানের ক্ষেত্রে আর সেটিই কিছু চালের নামকরণের ক্ষেত্রে বিপত্তি তৈরি করেছে।
“ধান থেকে চাল হওয়ার পর সেটি ব্রান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে কোন নীতিমালা নেই। সে কারণে অনেকে নিজের ইচ্ছে মতো চালের নামকরণ করেছে এবং কিছু নাম সেভাবেই প্রচলন হয়ে গেছে,” বলছিলেন তিনি

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 দৈনিক দেশ বিদেশ
Design and developed By: Syl Service BD