1. dailydeshbidesh@gmail.com : admin :
  2. deshbiseh@gmail.com : Adbul Wahid : Adbul Wahid
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জগন্নাথপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল কম দামে গোপনে বিক্রি করায় জনতা কর্তৃক আটক।। জগনাথপুরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং জগন্নাথপুরে পেক আইডি দিয়ে সংক্রান্ত পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচারে এলাকাবাসীর নিন্দা , থানায় জিডি দায়ের ।। জগন্নাথপুরের হবিবপুরে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গ্রামের মান ক্ষুন্ন করায় প্রতিবাদ সভা।। যুক্তরাজ্য প্রবাসী কে মোবাইল ফোনে হুমকি দিল জার্মান প্রবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি, এলাকাবাসীর নিন্দা।। জগন্নাথপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার- ৫ জগন্নাথপুরে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর তীব্র নিন্দার ঝড় # জগনাথপুরে মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ডা:সুধীর চন্দ্র গোপকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা তিনির পরিবারের।

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৩২

মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ,

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ডা:সুধীর চন্দ্র গোপকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনির পরিবার।

মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করেন ঐ পরিবারের সদস্য।

মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন যাওয়ার পর ও মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি ডা: সুধীর চন্দ্র গুপকে।
ডঃ সুধীর চন্দ্র গোপ সালে ১৯৭১ খ্রি: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত থেকেও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন। মুক্তিযুদ্ধা সুধীর চন্দ্র গোপ তৎকালীন সুনামগঞ্জ মহকুমার জগন্নাথপুর থানার অন্তর্গত যাত্রা পাশা গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সুধীর চন্দ্র গোপ। যে ব্যাক্তি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক জগন্নাথপুর থানায় আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করেন এবং প্রতিষ্টাতা সভাপতি হিসাবে অত্যান্ত সততা ও নিষ্ঠারসাথে প্রায় ১৯৯০ ইংরেজি পর্যন্ত আমৃত্যু আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। যাহা জেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নথিবদ্ধ আছে। সুধীর চন্দ্র গোপ শিক্ষানুরাগী হিসেবে প্রায় ১৯৭৩ ইংরেজি থেকে শুরু করে ১৯৮৬ ইংরেজি পর্যন্ত স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের আমৃত্যু ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন। এ ছাড়া ও জগন্নাথপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন এবং পরবর্তীতে পদাধিকার বলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন T N O । ১৯৭১ সালের সর্ব কালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালির মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রেসকোর্স ময়দানের ৭ ই মার্চের ভাষণের দিগনির্দেশনা অনুযায়ী মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে প্রয়াত নেতা এডভোকেট আব্দুর রইছ ( এম. পি ) ও ডাঃ সুধীর চন্দ্র গোপের পরামর্শ ক্রমে তৎকালীন জগন্নাথপুর থানায় স্বাধীন বাংলার সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন (আংশিক )
আব্দুর রইছ এম. পি সভাপতি
ডাঃ সুধীর চন্দ্র গোপ – সহসভাপতি
হারুনুর রশীদ হিরন মিয়া- সম্পাদক
সৈয়দ ফকরূল ইসলাম -সদস্য
সৈয়দ খালিক মিয়া – সদস্য
বুলবুল আহমদ – সদস্য
বশির মিয়া – সদস্য
জব্বার মিয়া – সদস্য সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।
যে কমিটির মাধ্যমে অত্যান্ত দৃঢ়তার সহিত নিজের মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার জন্য জাতির পিতার নির্দেশ মোতাবেক জগন্নাথপুর থানার মুক্তিযুদ্ধের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। যাহা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বজলুল মজিদ খসরু লিখিত রক্তাক্ত ৭১ সুনামগঞ্জ নামক মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বইটিতে উল্লেখ আছে।
সুধীর চন্দ্র গোপের ছেলে রমেন্দ্র গোপ বলেন,আমার পিতা ১৯৭১ সালে লোক মারফতে আমাদের পরিবারকে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেখে ইন্ডিয়ার ৫ নং বালাট ক্যাম্পের চলে যান। পরবর্তীতে তিনি ৫নং বালাট ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসক হিসাবে যোগদান করেন এবং জগন্নাথপুর থানার বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব হিসাবে জগন্নাথপুর থানার পক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের আইডেন্টিফাইকারী ছিলেন। যাহা জগন্নাথপুর থানার মুক্তিযোদ্ধারাই স্বাক্ষী। আজ যদি সুনামগঞ্জ জেলার প্রয়াত জননেতারা জীবিত থাকিতেন তা হলে ডাঃ সুধীর চন্দ্র গোপের স্বাক্ষীর অভাব হতো না।
আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হয়
১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্ট যখন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে হত্যা করা হয় সেই দিন হতে জিয়াউর রহমানের শাসন কাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ছিল অত্যান্ত দূর্যোগ পূর্ণ দিন। সেই দূর্যোগ পূর্ণ দিনেও ডাঃ সুধীর চন্দ্র গোপ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ থেকে তিল পরিমাণেও বিচ্যুত হননি এবং জগন্নাথপুর থানার আওয়ামী লীগে হাল ছাড়েননি।
২৩/ ০৪/ ১৯৮৯ সালে প্রয়াত নেতা আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ আজাদ মহোদয়ের আমন্ত্রে তৎকালীন বিরোধী দলের নেত্রী বর্তমান মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ইকড়ছই মাঠে যে বিশাল জনসবা করেছিলেন সেই বিশাল জনসবার মঞ্চে বাধ্যক্য জনিত অবস্থায়ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে জাতির জনকের কণ্যার মুখের বাণী শুনার জন্য উক্ত মঞ্চে অবস্থান করেছিলেন। এখানে উল্লেখ করা আবশ্যক যে আমি রমেন্দ্র কুমার গোপ আমার বাবার নামটি মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ভূলবশত অনলাইনে আবেদন করি নাই। পরবর্তীতে আমি অনলাইন থেকে আবেদন ফরমটি বের করে মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা কমাণ্ডার, উপজেলা সাংগঠনিক কমাণ্ডার ও আরও দুই জন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা সহ মোট ০৪( চার) জনের প্রত্যয়ন পত্র সহ মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বজলুল মজিদ খসরু লিখিত “রক্তাক্ত ৭১সুনামগঞ্জ„ নামক সাহিত্য প্রকাশক বইটির পৃষ্ঠা নং ৩৪,৪৯ ও১৩০ সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির স্যারের দেওয়া স্মারক নং ০৫.৪৬.৯০৪৭.০০০.১১.০০৫.১৫.৮৬৭ তারিখঃ ০১/ ০৮/ ২০১৬ খ্রিঃ মোতাবেক সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালক, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ও অতিরিক্ত সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবরে আবেদনটি প্রেরণ করেন। অদ্যবধি পর্যন্ত আমার পিতার নামটি মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করায় আমরা অত্যান্ত মর্মাহত। আমরা আশা করি আমাদের প্রয়াত বাবা ডাঃ সুধীর চন্দ্র গোপকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দিয়ে তার অবদানের প্রতি সন্মান জানানো হবে।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 দৈনিক দেশ বিদেশ
Design and developed By: Syl Service BD