1. dailydeshbidesh@gmail.com : admin :
  2. deshbiseh@gmail.com : Adbul Wahid : Adbul Wahid
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জগন্নাথপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল কম দামে গোপনে বিক্রি করায় জনতা কর্তৃক আটক।। জগনাথপুরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং জগন্নাথপুরে পেক আইডি দিয়ে সংক্রান্ত পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচারে এলাকাবাসীর নিন্দা , থানায় জিডি দায়ের ।। জগন্নাথপুরের হবিবপুরে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গ্রামের মান ক্ষুন্ন করায় প্রতিবাদ সভা।। যুক্তরাজ্য প্রবাসী কে মোবাইল ফোনে হুমকি দিল জার্মান প্রবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি, এলাকাবাসীর নিন্দা।। জগন্নাথপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার- ৫ জগন্নাথপুরে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর তীব্র নিন্দার ঝড় # জগনাথপুরে মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন

সুনামগঞ্জের দোয়ারায় ভূমি জবরদখলের পায়তারা

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩৯

দোয়ারায় ভূমি জবরদখলের পায়তারা

সুরুজ্জামান শিমুল,সুনামগন্জ প্রতিনিধি

দোয়ারাবাজারে এক নিরীহ পরিবারের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবরদখলের পায়তারা করার অভিযোগ ওঠেছে। প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নারী নেত্রী শামসুন্নাহার। তিনি উপজেলা সদরের ডাকবাংলো রোডের বাসিন্দা।
উপজেলা সদরের ডাকবাংলো রোডে তাঁর নাহার মঞ্জিলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নারী নেত্রী শামসুন্নাহার বলেন, ২০০৮ সালে আবদুল মালিকের নিকট থেকে সম্পাদনা দলিলমূলে ১১ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে একই মালিকানাধীন একই ভূমি ২০২০ সালে উপজেলা সদরের বাজিতপুর মৌজার দাগ নং ১২৮/১ এ ১১ শতাংশ ভূমি রেকর্ডীয় মালিক মকবুল আলীর কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে মালিক আছকির আলী ও আবদুল মালিকের নিকট হতে সাবকাবলা দলিলমূলে ক্রয় করা হয়। পরবর্তীতে ডোবা জায়গা ভরাট করে এখানে সবজি বাগান করি। ডোবা জায়গা ভরাট করার পর হঠাৎ করে উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের এরুয়াখাই গ্রামের মোস্তফা মিয়ার পুত্র আবুল কাশেম ওই সম্পত্তি একটি ভুয়া দলিলের ভিত্তিতে নিজেদের বলে দাবি করেন। এ নিয়ে প্রতিকার চেয়ে আমি ১৪৪ ধারায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।
ওই মামলার রায় আমাদের পক্ষে আসলেও প্রতিপক্ষ তাদের লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে একাধিকবার আমার ক্রয়কৃত দখলীয় সম্পত্তি জবরদখল করতে আসে। একপর্যায়ে তারা সবজি বাগান ও গাছের চারা উপড়ে ফেলে দিলে এবং আমার পরিবারের লোকজনকে মারধর করতে উদ্যত হলে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে প্রতিহত করেন। পরে তাদের কবল থেকে রক্ষা পেতে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করি। কিন্তু পুলিশ কার্যত কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
গত ১৮ অক্টোবর আমি মামলার হাজিরা দিতে সুনামগঞ্জে যেতে প্রস্তুতি নিই। ওই দিন সকাল ৯টার দিকে প্রতিপক্ষ আবার আমার বাসাবাড়িতে হামলা চালায়। তৎক্ষণাৎ আমি আমার মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সমরাজকে ফোন করি। তিনি ঘটনাস্থলে না এসে জানান, মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরে নিরুপায় হয়ে আমি জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়কে অবহিত করি। পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এঘটনায় বাধ্য হয়ে আমি আদালতের দ্বারস্থ হই।
এদিকে এখনো তারা আমার ক্রয়কৃত ও দখলীয় জমি জবরদখল করতে উঠেপড়ে লেগে আছে। যেকোনও সময় আমার বাসবাড়িতে হামলা চালানোর আশংকা করছি। আমরা তাদের ভয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি এর প্রতিকার চাই।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আবুল কাশেম বলেন, আমি ২০১৬ সালে রবিন্দ্র দাসের কাছ থেকে ৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেছি। বর্তমানে আমার দখলেও আছে জায়গা। ডুবা ছিল জায়গাটা, আমি টাকা খরচ করে ডুবা জায়গাটুকু ভরাট করেছি। এখন আমি আমার জায়গায় ঘর বানানোর প্রস্ততি নিলে সামছুন্নাহার বেগম আমার কাজে বাধা সৃষ্টি করেন। আমিও নিরুপায় হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 দৈনিক দেশ বিদেশ
Design and developed By: Syl Service BD