1. dailydeshbidesh@gmail.com : admin :
  2. deshbiseh@gmail.com : Adbul Wahid : Adbul Wahid
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জগন্নাথপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল কম দামে গোপনে বিক্রি করায় জনতা কর্তৃক আটক।। জগনাথপুরে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং জগন্নাথপুরে পেক আইডি দিয়ে সংক্রান্ত পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ-প্রচারে এলাকাবাসীর নিন্দা , থানায় জিডি দায়ের ।। জগন্নাথপুরের হবিবপুরে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গ্রামের মান ক্ষুন্ন করায় প্রতিবাদ সভা।। যুক্তরাজ্য প্রবাসী কে মোবাইল ফোনে হুমকি দিল জার্মান প্রবাসী জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি, এলাকাবাসীর নিন্দা।। জগন্নাথপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার- ৫ জগন্নাথপুরে মিথ্যা মামলাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর তীব্র নিন্দার ঝড় # জগনাথপুরে মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন

জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীতে বহিরাগত মৎস্যজীবী দিয়ে অবৈধ ভাবে মাছ আহরণ, লক্ষ লক্ষ টাকার বাণিজ্য নেপথ্যে কারা————? ।

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৯৬

ষ্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা প্রকাশ (কলাখাই-নাগডুরা) নদীতে বহিরাগত মৎস্যজীবী দিয়ে অবৈধ ভাবে মাছ আহরণ করে লক্ষ লক্ষ কাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সংঘবদ্ধচক্র ।
গত ০১ অক্টোবর শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার বাডর এলাকার মৎস্যজীবীরা ৭/ ৮টি বেলজাল বসিয়ে বাগময়না গ্রামের পশ্চিমে কূশিয়ার (কলাখাই-নাগডুরা নদীতে মাছ আহরণ করছে । আলাপকালে মাছ আহরণ কারি বহিরাগত মৎস্যজীবী নবীগঞ্জ উপজেলা থেকে আসা সফিকুল ইসলাম, সুহেল, লুৎফুর ও তারিকের ছেলেসহ প্রত্যেক জেলেরা বলেন, আমরা নবীগঞ্জ উপজেলার বাডর এলাকা থেকে ৬ টি বেলজাল নিয়ে কুশিয়ারা নদীতে মাছ আহরণ করতে এসেছি । আমাদের মহাজন বাগময়না গ্ৰামের আবুল কাসেম ,সেনুজসহ ৪/৫ জন মালিক পক্ষকে আমাদের প্রত্যেকটি বেলজাল বসাতে দেয়া হয়েছে ০৮ থেকে ১০ হাজার টাকা । আবার কোন কোন বেলজাল বসাতে গুনতে হয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা ।আর এসব টাকা আমরা দিয়েছি বাগময়না গ্রামের আবুল কাশেমের হাতে ।
বহিরাগত মৎস্যজীবী এনে মাছ আহরণ ও টাকা নেওয়ার কথা জানতে চাইলে আবুল কাসেম জানান, আমার একটা প্রতিপক্ষ র রয়েছে। হয়তোবা ওরা মৎস্যজীবীদের আমার নাম বলতে শিখিয়েছে।এ বিষয়ে ধীরাজ সরকারকে মুঠোফোনে নবীগঞ্জ থেকে
বহিরাগত মৎস্যজীবী দিয়ে মাছ ধরা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন কাসেমের কাছে গাং বিক্রি করিনি।এখানে কাসেম কিছু নয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি নবীগঞ্জ থেকে আসা বহিরাগত মৎস্যজীবী দিয়ে মাছ আহরণ অবৈধ স্বীকার করেন। কুশিয়ারা নদীতে বহিরাগত মৎস্যজীবীরা অবৈধ ভাবে মাছ আহরণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। ঘটনা সত্য হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরো সংবাদ দেখুন
© All rights reserved © 2021 দৈনিক দেশ বিদেশ
Design and developed By: Syl Service BD